লিচুর পর এবার প্রথমবারের মতো ইউরোপে যাচ্ছে দিনাজপুরের সুস্বাদু আম। এতে করে বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীদের লাভের পাশাপাশি সমৃদ্ধ হবে এ অঞ্চলের অর্থনীতি।
বানানা ম্যাংগো ও বারি-৪ জাতের আম ইংল্যান্ডে পাঠানোর মাধ্যমে প্রথম যাত্রা শুরু হলো রপ্তানির। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তদারকিতে এসব আম পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বর্তমান বাজারে পানির দামে যখন আম বিক্রি করে লোকসানে কৃষক, ঠিক তখন এই আম রপ্তানিতে কৃষকরা আবার আশায় বুক বাঁধছে। দিনাজপুরের বিরল উপজেলার দারোইল গ্রামের মমিনুল ইসলামের বাগান থেকে এবার ইংল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হলো বানানা ম্যাংগো ও বারি-৪ জাতের আম।
এই কৃষকের প্রায় ৩শ’ গাছের আম জৈবিক উপায়ে প্রস্তুত করা হয়েছে রপ্তানির জন্য। স্বাদ, গন্ধ ও পুষ্টি গুণের দিক থেকে এই অঞ্চলের আমের ভালো কদর রয়েছে। বাগানি মমিনুল চান এই আম রপ্তানি করে একদিকে যেমন দেশের সুনাম হবে, অন্যদিকে কৃষকরা লাভবান হবেন। তার এই সাফল্য দেখে স্থানীয় অনেক বাগানি ও কৃষক দেখতে আসছেন এবং পরামর্শ নিচ্ছেন।
বিরল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তফা হাসান ইমাম জানান, অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে এই এলাকার আম উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় ২৩টি বাগান তৈরি করা হয়েছে। এ সব বাগানের আম মানসম্মত ও রপ্তানিযোগ্য। ভবিষ্যতে আরও বেশি পরিমাণে আম রপ্তানি করা হবে বলেও জানান স্থানীয় এই কৃষি কর্মকর্তা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নুরুজ্জামান বলেন, স্থানীয় কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধানে লিচুর পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপে আম রপ্তানি করা হচ্ছে। এটা জেলার অর্থনীতিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
কৃষি পণ্য রপ্তানিকারক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রথম দফায় দিনাজপুরের বিরল থেকে বারি-৪ আম ৩শ’ কেজি এবং বানানা ম্যাংগো জাতের ২শ’ কেজি আম ইংল্যান্ডে পাঠাচ্ছে।





