Friday, 4 September 2026
শিরোনাম
এক্সক্লসিভ

আর কোন মামলায় গ্রেপ্তার নেই মুফতি ইব্রাহিম

admin • 17 Jan 2023, 06:45 PM • পঠিত 1 বার
শেয়ার করুন:
আর কোন মামলায় গ্রেপ্তার নেই মুফতি ইব্রাহিম

আর কোন মামলায় গ্রেপ্তার নেই উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মুফতি কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিম। মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার আইনজীবী মোহাম্মদপুর ও শেরেবাংলা নগর থানার পৃথক দুটি মামলায় পিডব্লিউ প্রত্যাহারের আবেদন করেন।

শুনানি শেষে শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রশিদুল আলম ও মোহাম্মদপুর থানার মামলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ সিদ্দিকী এ আবেদন মঞ্জুর করেন। 

এই দুই মামলায় মুফতি কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিম জামিনেxcv rcxzzgrfvc  ছিলেন। কারাগারে আটক থাকায় এই মামলায় প্রডাকশন ওয়ারেন্ট (পিডব্লিউ) ছিল।

এদিকে সোমবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম জুলফিকারের আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় দোষ স্বীকার করেন মুফতি কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিম। দোষ স্বীকার করে ক্ষমাপ্রার্থনা করায় গ্রেপ্তারের পর থেকে এ পর্যন্ত যে কারাভোগ করেছেন, তা সাজা হিসেবে নেন আদালত।

কাজী ইব্রাহিমের আইনজীবী শওকত উল্লাহ চৌধুরী বলেন, মুফতি কাজী ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে। তিনি আজ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় দোষ স্বীকার করায় আদালত তাকে গ্রেপ্তারের পর থেকে এ পর্যন্ত যত দিন কারাভোগ করেছেন, তা সাজা হিসেবে গণ্য করেছেন। সে হিসাবে তার এক বছর তিন মাস ১৯ দিনের কারাভোগের সাজা হয়। এ ছাড়া রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় প্রতারণা ও শেরেবাংলা নগর থানায় মাওলানা নূরুল ইসলাম ফারুকী হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ দুই মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন। এ দুই মামলায় প্রডাকশন ওয়ারেন্ট (পিডব্লিউ) প্রত্যাহারের আবেদন আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। আমরা আশা করছি আজই তিনি কারামুক্ত হবেন।

২০২১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর লালমাটিয়ার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। হিসাব করলে দেখা যায়, গ্রেপ্তারের পর থেকে চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত তার এক বছর তিন মাস ১৯ দিনের কারাবাস হয়, যা দণ্ড হিসেবে নেন আদালত।

ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম শামীম বলেন, কাজী ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ২৫/৩১/৩৫ ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এ ধারাগুলোর সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছরের কারাদণ্ড। যেহেতু তিনি দোষ স্বীকার করেছেন, সেহেতু বিচারক সন্তুষ্ট হয়ে তার কারাভোগটাই সাজা হিসেবে নিয়েছেন।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।