যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওয়ার্ল্ডওয়াইড ফেরি সেফটি অ্যাসোসিয়েশন (ডাব্লিউএফএসএ) পরিচালিত নিরাপদ ফেরির নকশা এবং পরিচালনার লক্ষ্যে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সেপুলুহ নোপেম্বের ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইটিএস)।
রোববার (৬ অক্টোবর) বুয়েট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, এবারের ১১তম আসরে বুয়েটের নৌযান ও নৌযন্ত্র কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. জোবায়ের ইবনে আওয়ালের তত্ত্বাবধানে ৭ সদস্যের ‘টিম ব্লাক পার্ল’ অংশগ্রহণ করে। এই টিমের সদস্যরা হলেন, মো. আব্দুল কাদের (টিম ক্যাপ্টেন), ইমন ঘোষ প্রান্ত, সাইয়েদ সাদিক সিদ্দিকী, মিনহাজুল ইসলাম, মো. সাফায়েত হোসেন শিশির, আবু রাসেল ও সামিউন মুনতাসির সিয়াম। অনলাইনে অনুষ্ঠিত হওয়া এই প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান করা হবে ২৮-২৯ অক্টোবর।'
'অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিবারের মতো এবারও নির্দিষ্ট রুটের জন্য নিরাপদ ও পরিবেশ বান্ধব নৌযানের নকশা তৈরির প্রতিযোগিতা হয়। এ বছর অংশগ্রহণকারীদের চ্যালেঞ্জ ছিল নাইজেরিয়ার নাইজার নদীতে Ndoni-Idah (১৯০ কি.মি.) ঘাটের মধ্যে চলাচল উপযোগী একটি RoPax (রোপ্যাক্স) ফেরির ডিজাইন করা যা ১৫০-২০০ প্যাসেঞ্জার, ১৫-২০টি চার চাকার গাড়ি ও একইসাথে কৃষিপণ্য পরিবহন করতে সক্ষম। নদীর ভূতাত্ত্বিক অবস্থা যেমন- সরু চ্যানেল, সীমিত নাব্যতা, বিপদজনক ছোট পাথর, ভাসমান কাঠ ও কচুরিপানার উপস্থিতির পাশাপাশি জুড়ে দেওয়া হয় বিভিন্ন শর্ত যেমন, কোন এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে না, প্রপালশন সিস্টেমটি পরিবেশবান্ধব হতে হবে ইত্যাদি ডিজাইন প্রক্রিয়াটাকে চ্যালেঞ্জিং করে তোলে।'
উল্লেখ্য, ওয়ার্ল্ডওয়াইড ফেরি সেফটি অ্যাসোসিয়েশন (ডাব্লিউএফএসএ) বিশ্বজুড়ে পরিচালিত নিরাপদ ফেরির নকশা এবং পরিচালনা নিয়ে কাজ করে। ফেরি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং নিরাপদ ফেরির প্রাপ্যতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সংস্থা প্রতিবছর একটি আন্তর্জাতিক ফেরি ডিজাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।





