দীর্ঘ ১০ বছর ধরে খানা-খন্দ ও ভাঙা সড়কের চিত্র পাল্টাতে এবং জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে সড়ক সংস্কারে মাঠে নেমেছেন পঞ্চগড়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। নিজেদের অর্থায়নে ইটের খোয়া ভ্যানে করে এনে খানা-খন্দ ও ভাঙা সড়কের গর্ত ঠিক করছেন তারা।
দীর্ঘ ১০ বছর ধরে খানা-খন্দ ও ভাঙা সড়কের চিত্র পাল্টাতে এবং জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে সড়ক সংস্কারে মাঠে নেমেছেন পঞ্চগড়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। নিজেদের অর্থায়নে ইটের খোয়া ভ্যানে করে এনে খানা-খন্দ ও ভাঙা সড়কের গর্ত ঠিক করছেন তারা।
জানা গেছে, গত ১০ বছর ধরে দুর্নীতির কবলে পড়ে পৌরসভার অসংস্কার হওয়া বিভিন্ন সড়ক ও স্থাপনাকে নতুনভাবে সাজাতে শিক্ষার্থীরা এই সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
পঞ্চগড়ের মকবুলার রহমান সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী ও কায়েত পাড়া যুব সংঘের প্রতিনিধি শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমরা কায়েতপাড়া যুব সমাজের উদ্দ্যোগে শিক্ষার্থীরা মিলে রাস্তা সংস্কারের কাজ করছি। কায়েতপাড়ার গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বেহাল রয়েছে। এতে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। দুর্নীতি ও অপশক্তির কারণে এই সমস্যা। আমরা সেই মানুষদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে এবং নতুনভাবে দেশকে সাজাতে পৌরসভার রাস্তাঘাট সংস্কারের এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
শিক্ষার্থী সফিক ইসলাম বাঁধন বলেন, আমাদের এই কার্যক্রমে ছাত্র সমাজসহ স্থানীয়রা একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। আশা করি সবার সহায়তায় আমরা শিক্ষার্থীরা নতুন করে দেশকে সাজাবো।
উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান, মায়ের কাছে সন্তান যেমন নিরাপদ, আর মা যেমন সন্তানকে আগলে রাখে। ঠিক সে ভাবে এ দেশের ছাত্র-জনতা এই দেশকে আগলে রাখতে পারে। আজকের ছাত্রসমাজ দেশের প্রত্যেকটি স্তরে বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছে, তারা কাজ করে যাচ্ছেন। যেমন ছাত্রসমাজের হাতে এই রাস্তা সংস্কারের মাধ্যমে পরিবর্তন হচ্ছে রাস্তা-ঘাট।
এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে দুর্বৃত্তদের হামলায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিহতের পর কর্মবিরতি পালন করছে ট্রাফিকসহ থানার পুলিশ সদস্যরা। আর এ সময়ে পঞ্চগড় জেলার রাস্তাঘাটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সড়কে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, বিএনসিসির সদস্য ও স্কাউট সদস্যরা।





