চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ চ্যানেলে স্পিডবোটের ধাক্কায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মাহফুজুর রহমান মিতাসহ (এমপি) ৭ জন আহত হয়েছেন। চালকের দক্ষতায় লাল বোটটি ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে এমপি মিতা নিজ নির্বাচনী এলাকা সন্দ্বীপ যাওয়ার পথে কুমিরা ফেরিঘাট থেকে অদূরে এই দুর্ঘটনার মুখোমুখি হন।
এ সময় মিতা ছাড়াও ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান সুমন, সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত গাড়িচালক সেলিমসহ সাতজন আহত হয়েছেন।
মিতার ডান হাত গুরুতর জখম হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দ্বীপ উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মাহফুজুর রহমান সুমন বাদী হয়ে সন্দ্বীপ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন। স্পিডবোটের চালক অভি দাসকে পুলিশ আটক করেছে। অভি দাস সীতাকুণ্ড উপজেলার বড় কুমিরার বাসিন্দা।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে কুমিরা ফেরিঘাট থেকে স্টিমার আইভি রহমানে উঠতে সন্দ্বীপ চ্যানেলে একটি ইঞ্জিন বোটযোগে মিতা এবং তার সফরসঙ্গীরা যাচ্ছিলেন। ওই সময় পেছন থেকে একটি স্পিডবোট হঠাৎ সজোরে এমপি আরোহী লাল বোটে ধাক্কা দেয়।
মুহূর্তে বোটের মধ্যে তারা ছিটকে পড়েন। পরে লাল বোট চালকের দক্ষতায় তারা রক্ষা পেয়েছেন। ছাত্রলীগ সভাপতি ও মামলার বাদী মাহফুজুর রহমান সুমন মামলার আবেদনে এমপি ও তাদের হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেন।
তিনি বলেন, স্পিডবোটটি যাত্রীশূন্য অবস্থায় দ্রুতবেগে উদ্দেশ্যমূলক আমাদের বোটকে টার্গেট করে সজোরে ধাক্কা দেয়। এটি সংসদ সদস্যকে টার্গেট করে একটি ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করা হয়েছে। মামলার তদন্তে সব কিছু বেরিয়ে আসবে।
সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবীর হোসেন জানান, স্পিডবোট চালক অভিকে আটক করা হয়েছে, তদন্তে সব কিছু বেরিয়ে আসবে।
এ ব্যাপারে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতার বক্তব্য নেয়ার জন্য তার মুঠো ফোনে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।





