ছয় মাস আগে বিয়ে করেন ১৯ বছরের তরুণ সুমন। দাম্পত্য জীবন ভালোই চলছিল। দুদিন আগে হঠাৎ মারা যান স্ত্রী। প্রিয়জনকে হারিয়ে ভেঙে পড়েন তরুণ স্বামী। বিহ্বল হয়ে পড়েন শোকে। আর শোক সইতে না পেরে শেষমেশ আত্মহত্যা করেন এ তরুণ।
হৃদয়-বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে। শুক্রবার সকালে উপজেলার শিমুলকান্দি কান্দিপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করেন সুমন। তিনি একই এলাকার কাশেম মিয়ার ছেলে। শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন একটি ব্যাগ তৈরির কারখানায়।
স্বজনরা জানান, ছয় মাস আগে পৌর শহরের কমলপুর এলাকার শিখা বেগমকে বিয়ে করেন সুমন। তাদের দাম্পত্য জীবন ভালোই চলছিল। দুদিন আগে শিখা মারা যান। স্ত্রীর মৃত্যুর দুদিন পর শুক্রবার সকালে সুমনকে বাড়ির পেছনের বাগানে একটি গাছের ডালে ঝুলতে দেখেন প্রতিবেশীরা। পরে থানায় খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রতিবেশীরা বলেন, সুমন খুব ভালো ছেলে ছিলেন। একটি ব্যাগের কারখানায় কাজ করতেন। বিয়ের ছয় মাসের মাথায় হঠাৎ স্ত্রী মারা যাওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। স্ত্রীর মৃত্যুর সইতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেন।
সুমনের বাবা কাশেম মিয়া বলেন, দুদিন আগে ছেলের বউ মারা গেলেন। সকালে ছেলেটিও চলে গেল আমাদের ছেড়ে। দুদিনের ব্যবধানে দুজনকে হারালাম। বউকে খুব ভালোবাসতো ছেলেটি। এজন্যই স্ত্রীর মৃত্যু মেনে নিতে পারেনি।
ভৈরব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম মোল্লা জানান, স্ত্রীর মৃত্যুর শোকেই ওই তরুণ আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিবারের অনুরোধে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।





