যৌতুকের ১ লাখ টাকা দিতে না পারায় স্ত্রীকে মারধর করে মাথার চুল কেটে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে স্ত্রী আয়শা বেগমকে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আয়শা বেগমকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে গাইবান্ধা থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছেন বলে জানান।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার পূর্ব বারবলদিয়া গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর মেয়ে আয়শা বেগম। ৬ মাস আগে ঘটা করে একই গ্রামের মুত ময়েন উদ্দিনের ছেলে শামসুল হকের সঙ্গে বিয়ে হয়।
বিয়ের সময় যৌতুক বাবদ ৫০ হাজার টাকা ও সংসারের জিনিসপত্র দেয়া হয় আশরাফ আলীকে। কিন্তু এতে সন্তুষ্ট ছিলেন না স্বামী শামসুল হক। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের টাকা আনতে বলে স্বামী টাকা আনতে বলে স্বামী। কিন্তু এতে রাজি হয়নি আয়শা বেগম।
যৌতুকের এই টাকার জন্য তিনি প্রতিদিন তার স্ত্রী আয়শার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে আসছিলেন। ৫ নভেম্বর রাতের অন্ধকারে স্বামী শামসুল হক ও তার বাড়ির লোকজন মিলে আয়শা বেগমকে বেধড়ক মারধর করে। তারপর তার মাথার চুল কেটে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। ঘটনাটি গ্রামে জানাজানি হলে এলাকার লোকজন আহত অবস্থায় আয়শা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করে।
একটু সুস্থ্য হয়ে আয়শা বেগম বাদী হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে গাইবান্ধা থানায় আসেন। পাষান্ড স্বামী শামসুল হক, নুরুন্নাহার বেগম, নুরুন্নাহার বেগম ও খালেক মিয়ার বিরুদ্ধে গাইবান্ধা থানায় অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে স্বামী শামসুল হক বলেন যৌতুকের জন্য, স্ত্রীকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন অন্য কারও সঙ্গে কথা বলতে নিষেধ করলেও সে সবার সঙ্গে কথা বলে। সেজন্য কথা কাটাকাটি হয়েছে।





