এ সময় জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, দ্বিতীয়বার প্রোগ্রাম করার সুযোগ নেই। আগে এলে বসার জায়গা পেতেন। জেলা প্রশাসকের এমন বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে একযোগে সম্মেলন কক্ষ ত্যাগ করেন সাংবাদিকরা। পরে জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন।
সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। এ অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে আমরা প্রেস ব্রিফিং বর্জন করেছি। প্রায় ৬০ জন সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপ্পি বলেন, একজন জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে এমন মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। তিনি নিজেই নির্ধারিত সময়ের প্রায় আধাঘণ্টা পরে সম্মেলন কক্ষে প্রবেশ করেছেন। অথচ সাংবাদিকদেরই দোষারোপ করেছেন।
সাংবাদিক নেতারা আরও বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জন্য ন্যূনতম সম্মান ও বসার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
প্রেস ব্রিফিং বর্জন করে বেরিয়ে আসা সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন— প্রথম আলোর কল্যাণ ব্যানার্জি, মমতাজ আহমেদ বাপ্পি, আর টিভির রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেকী ইলাহী, ইন্ডিপেন্ডেড টেলিভিশনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাভিশনের প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান, এখন টেলিভিশনের আহসান রাজিব, যমুনা টিভির আকরামুল ইসলাম, স্টার নিউজের গাজী ফরহাদসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা।
অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ অস্বীকার করে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ বলেন, সাংবাদিকরা নির্ধারিত সময়ের প্রায় ১৫ মিনিট পরে উপস্থিত হওয়ায় তারা আসন গ্রহণ করতে পারেননি। তবে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
আপনিও তো প্রায় ৩০ মিনিট দেরিতে এসেছেন? জবাবে জেলা প্রশাসক বলেন, আমি জানতাম অনুষ্ঠান সাড়ে ১২টায়। তথ্য অফিসার আমাকে সাড়ে ১২টার সময়ই জানিয়েছিলেন।