রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের এক শিশুকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হত্যার আগে মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়। তার ছিন্ন মাথা পাওয়া গেছে ঘরের ভেতরে একটি বালতিতে। পুলিশ বলছে, তারা একটি দ্বিখণ্ডিত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে কি না, সেটি মেডিক্যাল পরীক্ষার পর জানা যাবে।
শিশুটি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার এক রিকশা মিস্ত্রির মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে সে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের বাসায় থাকত। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন প্রতিবেশী সোহেল রানা নামের একজনকে খুঁজছে পুলিশ।
পল্লবী থানার এসআই ইকবাল হোসেন ঘটনাস্থল থেকে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘একটি শিশুর গলা কাটা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আমরা আলমত সংগ্রহ করছি। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন সোহেল রানা পালিয়ে গেছেন।’
সোহেল পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে যেকোনো সময়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ সময় বাসায় অন্য কেউ ছিল না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পাশের বাসার বাসিন্দা সোহেল রানা শিশুটিকে হত্যা করে পালিয়ে যান।’





