উদ্বোধনের অপেক্ষায় নদীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম টানেল। বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে দক্ষিণ চট্টগ্রামকে যুক্ত করেছে দেশের এই প্রথম সুরঙ্গ সড়ক। কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনার পালে নতুন হাওয়াসহ ওয়ান সিটি টু টাউন ধারণারও বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে এর মধ্য দিয়ে। ২৮ অক্টোবর সকালে এই টানেল উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কর্ণফুলী নদীর দুই পাড়ে এখন উৎসবের আমেজ। দীর্ঘ পাঁচ বছরের বিশাল কর্মযজ্ঞ শেষে নদীর তলদেশের ১৫০ ফুট মাটির নিচ দিয়ে ৩৫ ফুট চওড়া ও ১৬ ফুট উচ্চতার রাস্তাটি এখন যান চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। ২৮ অক্টোবর উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিও বৃহস্পতিবার সেরে নিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নদীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া দেশের এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এই টানেলে পরীক্ষামূলক যাত্রা শেষে প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ জানান, শত বছরের জন্য টেকসই এই টানেল আগামী পাঁচ বছর রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনা করবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। তারপর দায়িত্ব আসবে সেতু বিভাগের হাতে।
২৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন শেষে ২৯ অক্টোবর সকাল ৬টা থেকেই এই পথ ধরে যানবাহনের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হবে।
পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা পর্যন্ত ৩.৪৩ কিলোমিটার এই সুরঙ্গ পথের কল্যাণে উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক সংযোগের পাশাপাশি ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী যানবাহনের দূরত্ব কমলো ৫০ কিলোমিটার।





