ফরিদপুরে থানা পুলিশের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে জেলার পুলিশ সুপার মোর্শেদ আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত কোতয়ালি থানা পরিদর্শন করেন।
গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর কোতোয়ালি থানায় হামলা করা হয়। এতে পুলিশের গুলিতে দুইজন নিহত হন। অস্ত্রসহ মালামাল লুটপাটের পর অগ্নিসংযোগ করা হয়। এছাড়া জেলার সরদপুর ও মধুখালী থানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, এসব ঘটনায় থানা ভবনের আসবাবপত্র ও নথিপত্র পুড়ে গেছে। মামলার সব আলামত ধ্বংস হয়ে গেছে। অস্ত্র লুট করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরো বলেন, সবার সহযোগিতায় আবার পুলিশের কার্যক্রম শুরু করার চেষ্টা করছি। জেলার তিনটি থানায় ব্যাপক ভাঙচুর ও আগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। তিনটি থানা বাদে বাকি ৬টি থানা অক্ষত আছে। সেগুলোতে পুলিশের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলমান থাকবে।
এ সময় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ঈসা, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।





