Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
এক্সক্লসিভ

প্রার্থিতা নিয়ে অস্বস্তি: শামীমের বিপরীতে হঠাৎ আরুণীর আগমনে বিএনপির তৃনমুলে ক্ষোভ

admin • 26 Oct 2025, 08:18 PM • পঠিত 0 বার
শেয়ার করুন:
প্রার্থিতা নিয়ে অস্বস্তি: শামীমের বিপরীতে হঠাৎ আরুণীর আগমনে বিএনপির তৃনমুলে ক্ষোভ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তৎপরতা তীব্র হয়েছে। এ আসনে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতা ও জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের পাশাপাশি সম্প্রতি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে নেমেছেন সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদারের কন্যা সালিনা বেগম আরুণী।
তার এই ‘হঠাৎ সক্রিয়তা’কে কেন্দ্র করে দলীয় ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে অস্বস্তি ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, আরুণীর পেছনে সক্রিয় রয়েছে এলডিপি, জামায়াত এবং একশ্রেণির সুবিধাবাদী রাজনীতিক, যারা দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপির কর্মসূচি, আন্দোলন কিংবা দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন না। বরং কেউ কেউ অতীতে এলডিপির সংগঠন গঠনে কাজ করেছেন, আবার কেউ আওয়ামী লীগ ঘেঁষা রাজনীতিতে নিজেদের সুবিধা নিয়েছেন।
সরিষাবাড়ী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. সোহেল রানা বলেন, আরুণী মাত্র দুই মাস হলো সরিষাবাড়ীতে প্রচারণা শুরু করেছেন। কিন্তু তার পাশে দেখা যাচ্ছে এমন সব ব্যক্তিকে, যারা অতীতে বিএনপির বিরুদ্ধে কাজ করেছে অথবা এলডিপির সংগঠক ছিলেন। এই পুরো নাটকের নেপথ্যে রয়েছেন হুমায়ুন কবির তালুকদার, যিনি এলডিপিতে সদস্য সংগ্রহ করতেন এবং বিএনপিকে ভাঙার চেষ্টা করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির কঠিন সময় কোথাও তাকে দেখা যায়নি, অথচ এখন মনোনয়ন দৌড়ে তিনি সক্রিয়ভাবে মাঠে আছেন। এতে স্বাভাবিকভাবেই দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ। সরিষাবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান মিলন বলেন, মুরাদ হাসান যখন শহীদ জিয়া ও সালাম তালুকদার পরিবারকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেছিলেন, তখন সরিষাবাড়ীতে একমাত্র শামীম তালুকদারই প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেন। আর সেই সময়ে হুমায়ুন কবির তালুকদার মাছ নিয়ে গিয়েছিলেন মুরাদের বাসায়।
এতে স্পষ্ট হয় কে আদর্শিক এবং কে সুবিধাবাদী। সরিষাবাড়ী থানা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বলেন, আরুণীর জনসংযোগে জামায়াতঘনিষ্ঠ ও এলডিপি সংশ্লিষ্ট বিতর্কিত কয়েকজন ব্যক্তিকে নিয়মিত সক্রিয় দেখা যাচ্ছে। এতে মাঠ পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।”
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে কয়েকবার ফোন করা হলেও সালিনা বেগম আরুণীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে নির্দেশনা রয়েছে বিএনপির কর্মসূচিতে অন্য দলের কাউকে আনতে দেওয়া হবে না। মাঠে না থাকা এবং হঠাৎ সক্রিয় হওয়া ব্যক্তিদের ব্যাপারে নজর রাখা হচ্ছে। প্রার্থীদের বিষয়টি জানানো হবে।
মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।