Thursday, 5 November 2026
শিরোনাম
অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো লুঙ্গিতে মোড়ানো সেই নবজাতকের ঠাঁই হলো রাজশাহীর ‘ছোটমণি নিবাসে’ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী কলেজের শ্রেনীকক্ষে তালা,মাঠজুড়ে পশুর হাট ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি অধ্যাপকের প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ,সত্যতা কতটা? স্কুলশিক্ষার্থীদের কাছে ই-সিগারেট বিক্রির অভিযোগ, কুয়েতে ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বিরোধ, সুনামগঞ্জে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১৫ ১৭৪ ফ্লাইট বাতিল, শনিবার থেকে চলবে দাম্মাম ফ্লাইট চুরি ঠেকাতে ২০০ কেজির ওয়েস্ট বিন, দক্ষিণ সিটিতে বসানো হলো ৬০০টি
জেলার খবর

পাহাড়ে বছরে ৭'শত কোটি টাকার চাঁদা আদায় করছে পাহাড়ি সংগঠন

• • পঠিত 13 বার
শেয়ার করুন:
পাহাড়ে বছরে ৭'শত কোটি টাকার চাঁদা আদায় করছে পাহাড়ি সংগঠন

বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি ৩ পার্বত্য জেলায় বছরে ৭০০ কোটি টাকা চাঁদাবাজি করছে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন সংগঠন জনসংহতি সমিতি সহ অন্যান্য সশস্ত্র সংগঠন গুলো। ১৯৯৭ সালে সন্তু লারমার সাথে শান্তিচুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার।

 

জনসংহতি সমিতি থেকে সরকারকে ৭২ টি ধারা দেওয়া হয়েছিল সেই চুক্তিতে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনে পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠনগুলো কে শুধু মাত্র ২টি শর্ত দিয়েছিল। শর্ত গুলো হচ্ছে- সকল অস্ত্র জমা দিতে হবে এবং সকল সন্ত্রাসীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হবে।

 

বাংলাদেশ সরকার সেই ধারার ৭০% সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করলেও বাকি গুলো কাজ চলমান আছে। অন্যদিকে সশত্র সংগঠনগুলো সরকারের একটি শর্তও বাস্তবায়ন করতে পারেনি আজ পর্যন্ত। কিছু সংখ্যক অস্ত্র জমা দিলেও বেশিরভাগ অস্ত্র রেখে দিয়েছিল শান্তিবাহিনী।

 

সেই রেখে দেওয়া অস্ত্র দিয়ে পাহাড়ে সাধারণ মানুষদের গুম,খুন হত্যা সহ ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছে সশত্র সংগঠন গুলো। প্রতি গাড়ি কলার ছড়িতে ১০০০ হতে ২০০০ টাকা পর্যন্ত চঁাদা নিচ্ছে সশত্র সংগঠন গুলো। এই ছাড়াও ঠিকাদার ব্যবসায়ী, বাজারের মুদি দোকান, হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট, পর্যটকবাহী গাড়ি, মালবাহী গাড়ি গুলো থেকেও চাঁদা আদায় করে এই সংগঠন গুলো।

 

সেই চাঁদার টাকা দিয়ে প্রতিনিয়ত ভারি অস্ত্র কিনছে সন্ত্রাসীরা। তাদের হাতে এখন মর্টার,একে৪৭, এলএমজি, গ্রেনেড,রকেট লঞ্চার,মাইন সহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদ রয়েছে।

 

পাহাড় থেকে এইসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ তাড়াতাড়ি উদ্ধার করা না গেলে ভবিষ্যতে বড় রকমের হামলার আশংকা করছেন বিশ্লেষকরা। আর সেই হামলাতে সেখানে বসবাস করা ৫২% বাঙ্গালি জনগোষ্টী বেশি হুমকির মূখে আছে। সেই সাথে তুলে নেওয়া সেনা ক্যাম্প গুলো আবার প্রতিস্থাপনের দাবী জানাচ্ছে স্থানীয় বাঙ্গালি প্রতিনিধিরা।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।