রাজশাহীর পদ্মা নদীতে ইঞ্জিনচালিত নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাবা ও ছেলের মরদেহ ঘটনার দুই দিন পর উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। কুষ্টিয়া ও রাজশাহীর পবা থেকে তাদের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নৌপুলিশ, রাজশাহী অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন- নৌকার মাঝি কাওসার আলী (৬০) এবং তার ছেলে জিয়ারুল হক। তাদের বাড়ি রাজশাহীর কাটাখালী থানার শ্যামপুর শান্তিনগর এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার দুপুরে ৮ জন যাত্রী ও ঝাউগাছ বোঝাই করে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা চর মাজারদিয়াড় এলাকা থেকে লালন শাহ মুক্তমঞ্চের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। মাঝনদীতে পৌঁছালে অতিরিক্ত ঢেউয়ের কবলে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নৌকাটি ডুবে যায়। এতে ৬ জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও মাঝি কাওসার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল হক নিখোঁজ থাকেন।
নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দুই দিন ধরে উদ্ধার অভিযান চালিয়েও ঘটনার দিন তাদের সন্ধান পায়নি। পরবর্তীতে নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় মরদেহ দুটি দুর্ঘটনাস্থল থেকে বহু দূরে ভেসে যায়।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে কুষ্টিয়া বাংলাবাজার পাকশী ব্রিজ সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে প্রথমে মাঝি কাওসার আলীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর দুপুর ১টার দিকে রাজশাহীর পবা উপজেলার সাতবাড়িয়া চর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় ছেলে জিয়ারুল হকের মরদেহ।
পুলিশ সুপার জানান, উদ্ধার করা বাবা-ছেলের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।





