মানিকগঞ্জে পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ঘাট এলাকায় ডুবে যাওয়া ফেরি রজনীগন্ধার উদ্ধারকাজে জাহাজ প্রত্যয় যোগ দিয়েছে। এর আগে ফেরিটির ওজন কমিয়ে এটাকে ভাসানোর চেষ্টা করা হয়।
শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর সোয়া ২টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় ঘটনাস্থলে পৌছায়। ডুবে যাওয়া ফেরি রজনীগন্ধা উদ্ধারে এয়ার লিফটিং ব্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে। নৌযানটির ওজন কমানোর জন্য।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ( বিআইডব্লিউটিএ) নৌসংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের পরিচালক মো. শাহজাহান বলেন, ডুবে যাওয়া ফেরি রজনীগন্ধার ওজন প্রায় আড়াই শ’ টন। পানির নিচে ডুবে থাকায় পলি জমে আরও প্রায় দেড় শ’ টন ওজন বেড়েছে। উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম বা হামজার এ ফেরি উদ্ধারে সক্ষমতা নেই।
এ দু’টি জাহাজের সক্ষমতা ১০০ থেকে ১২০ টন। আরেক উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় যোগ দিয়েছে। এটির আড়াই শ’ টন পর্যন্ত সক্ষমতা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে হামজার মাধ্যমে এয়ার লিফটিং ব্যাগ ব্যবহার করে ফেরিটিকে ভাসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ফেরিটি ভাসানো গেলে ওজন কিছুটা কমলে উদ্ধারে সুবিধা হবে। দশটি এয়ার লিফটিং ব্যাগ ফেরিতে প্রবেশ করানো হয়েছে ওজন কমানোর জন্য।
অন্যদিকে আজ ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় ঘটনাস্থলে ফেরি উদ্ধারে প্রস্তুতি শুরু করেছে। বেলা ১১টার দিকে আরেক উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা যানবাহন উদ্ধার অভিযান শুরু করে। কিন্তু বেলা সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কোনো যানবাহন উদ্ধার হয়নি। এদিকে আরেক উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম ৫ নম্বর ঘাট এলাকায় নোঙর করে রাখা হয়েছে। ঘাট এলাকায় ডুবুরি দল অভিযান পরিচালনা করলেও নিখোঁজ হুমায়ুন কবিরের সন্ধান মিলেনি।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ বলেন, ফেরি উদ্ধারে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় কাজ শুরু করেছে। এছাড়া ডুবুরি দল কাজ করছে বলেও তিনি জানান।





