Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
এক্সক্লসিভ

পঞ্চগড়ে বেড়েছে ডায়রিয়া ও অ্যাজমা রোগী,সেবা দিতে হিমশিম

admin • 10 Aug 2025, 12:18 PM • পঠিত 0 বার
শেয়ার করুন:
পঞ্চগড়ে বেড়েছে ডায়রিয়া ও অ্যাজমা রোগী,সেবা দিতে হিমশিম
রোদ-বৃষ্টি ও ভেপসা গরম আবহাওয়ার এই বৈরিতায় পঞ্চগড়ে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্টসহ অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা। জেলার প্রতিটি সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে নানা বয়সের মানুষ। এর মধ্যে বেশি আক্রান্ত শিশু এবং বয়স্করা। গত ৭ দিন ধরে ১শ' শয্যার পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে রোগী ভর্তি হচ্ছে ৩শ' ৫০ জনেরও বেশি।   হাসপাতালের মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মাহাবুব উল আলম জানান, সাধারণ রোগীর সঙ্গে যোগ হয়েছে ডায়রিয়া, অ্যাজমা এবং শ্বাসকষ্টের রোগী। আবহাওয়ার বৈরিতার কারণে গড়ে প্রতিদিন অতিরিক্ত তিন শতাধিক রোগী বেড়েছে। স্বল্প জনবল দিয়ে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি চিকিৎসা সেবা প্রদানের।   এদিকে, হাসপাতালের বেডে স্থান সংকুলান না হওয়ায় মেঝেসহ পুরো হাসপাতালের বারান্দা জুড়েই রোগী ভর্তি। চিকিৎসকরা এসব বাড়তি রোগীর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। পাশাপাশি ঔষধসহ চিকিৎসক সংকটের বিষয়টিতো আছেই।   পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আবুল কাশেম জানান, আমাদের স্বল্প সংখক চিকিৎসক দিয়ে আমরা সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি প্রয়োজনীয় সেটাপে চালু হলে চাপ কমে যাবে।   শিল্প কারখানাসহ কাজের তেমন ক্ষেত্র না থাকায় এ অঞ্চলের মানুষ এই মৌসুমে কিছুটা বেকার সময় পার করছে। অভাব অনটনের কারণে পরিমিত খাবারে অভাবে অপুষ্টিতে ভোগার কারণে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তারা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে আক্রান্ত হচ্ছে নানা রোগে।   প্রায় ১৩ লাখ মানুষের চিকিৎসার জন্যে একমাত্র ভরসা পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালটি বর্তমানে নিজেই রুগ্ন দশায় ভুগছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, ঔষধপত্র, আধুনিক যন্ত্রপাতি লোকবল সংকটের কারনে কোনমতে মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে। ২শ' ৫০ শয্যার হাসপাতালের যাবতীয় অবকাঠামো নির্মাণ প্রস্তুত হলেও তা এখনো চালু করা হয়নি। ফলে জরুরি রোগীদের পাশ্ববর্তী জেলা দিনাজপুর অথবা রংপুরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। অবহেলিত এই জনপদের মানুষের জন্যে আধুনিক চিকিৎসা সেবা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে।   জেলা সদরের বাইরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোর অবস্থা আরও নাজুক। নেই কোন চিকিৎসক, ঔষধসহ প্রয়োজনীয় সুবিধা। প্রান্তিক এই জনপদের মানুষ আধুনিক যুগেও চরমভাবে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।