Sunday, 4 October 2026
শিরোনাম
জাতীয়

দেশের দুর্গম এলাকায় টাওয়ার ছাড়াই স্যাটেলাইট ভিত্তিক মোবাইল সেবা দিবে বাংলালিংক

• • পঠিত 29 বার
শেয়ার করুন:
দেশের দুর্গম এলাকায় টাওয়ার ছাড়াই স্যাটেলাইট ভিত্তিক মোবাইল সেবা দিবে বাংলালিংক

দেশে এবার টাওয়ার ছাড়াই পাহাড়, সাগরসহ দুর্গম এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চালু হচ্ছে স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল সেবা। স্টারলিংকের সহায়তায় আপাতত এক বছরের জন্য বাংলালিংককে ডিরেক্ট টু সেল বা ডিটুসি সেবা দেয়ার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

 

বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, সাড়ে ৪৬ হাজার টাওয়ারের মাধ্যমে দেশের ১৯ কোটি সিম সংযোগধারীকে ভয়েস ও ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে চার মোবাইল অপারেটর। তবে এখনো দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, চর, দ্বীপ ও গভীর সমুদ্রে পৌঁছায়নি মোবাইল নেটওয়ার্ক।

 

ফলে পাহাড়ি জনপদে দুর্বল মোবাইল নেটওয়ার্কের কারণে ভোগান্তিতে পড়ছেন বাসিন্দারা। এ অবস্থায় চলতি বছরের মে মাসে বিটিআরসির অনুমতি নিয়ে বান্দরবান, কক্সবাজার ও সন্দ্বীপসহ দুর্গম এলাকায় স্টারলিংকের মাধ্যমে ডিরেক্ট টু সেল বা ডিটুসি সেবার পরীক্ষা চালায় বাংলালিংক।

 

এই প্রযুক্তিতে মোবাইলের সংকেত কোনো টাওয়ার ছাড়াই সরাসরি স্যাটেলাইটে পৌঁছে যায়। পরে সেই সংকেত স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশনে আসে। সেখান থেকে সংকেতটি মোবাইল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কল, বার্তা বা ডাটা আদান-প্রদান করে। দুই মাস ডিটুসি প্রযুক্তির কার্যকারিতা পরীক্ষা শেষে বাণিজ্যিকভাবে সেবা চালুর অনুমতি চায় বাংলালিংক।

 

তবে ডিটুসি সেবার জন্য কোন তরঙ্গ কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন। এ কারণে বাংলালিংককে আপাতত এক বছরের জন্য বাণিজ্যিক সেবা চালুর অনুমতি দিয়েছে বিটিআরসি।

 

বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী বলেন, ‘পরীক্ষা করে যেসব সমস্যা পাওয়া গিয়েছিল, সেগুলো সমাধান করা হয়েছে। এখন আমরা এমন একটি পর্যায়ে এসেছি, যেখানে সেবাটি চালু করা সম্ভব বলেই আমাদের মনে হচ্ছে।’

 

বাংলালিংক বলছে, সাধারণ ফোর-জি স্মার্টফোনেই মিলবে স্যাটেলাইটভিত্তিক এই সেবা। প্রথম পর্যায়ে গ্রাহকরা ওটিটি মেসেজিং ও এসএমএস সেবা পাবেন। বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, ‘আকাশের নিচে থাকলেই স্টারলিংকের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা যাবে। বাংলালিংকের সব গ্রাহকই আমাদের অ্যাপের মাধ্যমে স্টারলিংক সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।’

 

বর্তমানে দেশের ৩ কোটি ৭৮ লাখ গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে বাংলালিংক।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।