Friday, 6 November 2026
শিরোনাম
শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান এমপি বাবুলের কুমারখালীতে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে নবীন বরণ, কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো লুঙ্গিতে মোড়ানো সেই নবজাতকের ঠাঁই হলো রাজশাহীর ‘ছোটমণি নিবাসে’ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী কলেজের শ্রেনীকক্ষে তালা,মাঠজুড়ে পশুর হাট ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি অধ্যাপকের প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ,সত্যতা কতটা? স্কুলশিক্ষার্থীদের কাছে ই-সিগারেট বিক্রির অভিযোগ, কুয়েতে ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার
এক্সক্লসিভ

তীব্র খাদ্য সংকটে থাকা শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

• • পঠিত 13 বার
শেয়ার করুন:
তীব্র খাদ্য সংকটে থাকা শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

গত বছর বিশ্বের যে ১০টি দেশ সবচেয়ে বেশি তীব্র খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকির মধ্য দিয়ে গেছে, সেই তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ।  শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) প্রকাশিত গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস শীর্ষক এক বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের শিকার হওয়া মানুষের দুই-তৃতীয়াংশই মাত্র ১০টি দেশের বাসিন্দা। এর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ মানুষ সুদান, নাইজেরিয়া এবং কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআর কঙ্গো)।

 

তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তায় থাকা শীর্ষ ১০টি দেশ হলো, আফগানিস্তান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআর কঙ্গো), মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, ইয়েমেন।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও সিরিয়ার মতো কিছু দেশে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করা গেলেও আফগানিস্তান, মিয়ানমার এবং জিম্বাবুয়ের মতো দেশগুলোতে পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে। এর ফলে সামগ্রিক বৈশ্বিক উন্নতি প্রায় থমকে গেছে। গত বছর ৪৭টি দেশ বা অঞ্চলের প্রায় ২৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষ উচ্চ মাত্রার তীব্র খাদ্য সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন, যা ২০১৬ সালের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

 

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটের প্রধান কারণ হলো যুদ্ধ ও সংঘাত। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের চরম প্রভাব এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ২০২৬ সালের পূর্বাভাস দিতে গিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা আগামী বছরকে অত্যন্ত ‘ভয়াবহ’ করে তুলতে পারে।

 

প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক ত্রাণের পরিমাণ ব্যাপক হারে কমে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে এবং হরমুজ প্রণালী বাধাগ্রস্ত হওয়ায় জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে। তেলের দাম বাড়ায় সার উৎপাদন ব্যয়ও আকাশচুম্বী হয়েছে, যা সরাসরি কৃষি উৎপাদনকে ব্যাহত করছে।

 

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের প্রধান আলভারো লারিও বার্তা সংস্থা এএফপি-কে বলেন, ‍সার এবং জ্বালানির দাম বাড়ার ফলে চলতি চাষ মৌসুমে উৎপাদনে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি ক্ষুদ্র কৃষকদের জলবায়ু-সহনশীল ফসল চাষে বিনিয়োগ বাড়ানোর এবং স্থানীয়ভাবে সার উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানান।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।