কোটা আন্দোলনের মধ্যে দুষ্কৃতিকারীদের হামলা ও ভাঙচুরে তিতুমীর কলেজের প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হছে। গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান কলেজটির অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফেরদৌস আরা বেগম।'
'
অধ্যাপক ফেরদৌস আরা বলেন, ‘গত ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে তিন দফা হামলা চালানো হয় কলেজটিতে। এতে সিসিটিভি, ইন্টারনেট সার্ভার, কলেজের বাস, অধ্যক্ষের কার্যালয়, ছাত্রসংসদ ও ছাত্রদের হোস্টেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যারা হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে, তাদের সবার মুখে কাপড় বাধা ছিল। আর বাকিরা ছিল ছিন্নমূল মানুষ।’
'
দুর্বৃত্তদের এসব হামলা ও ভাংচুরের ব্যাপারে দুইটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে বলে জানান অধ্যাপক ফেরদৌস আরা বেগম। তিনি বলেন, ‘আগামী ১ আগস্ট তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন তারা। এছাড়া, এ ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামি করে বনানী থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।’
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের অন্তত ৩০০টি কক্ষে ব্যাপক ভাংচুর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল। এসব কক্ষ মেরামতের আগে হল বা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খোলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
;
শুক্রবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত রোকেয়া ও এফ রহমান হল পরিদর্শন শেষে এসব তথ্য জানান ঢাবির ভিসি। এসময় অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে নজিরবিহীন হামলা চালায়। মোট ৩০০টি কক্ষে ভাংচুরের ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬২টি কক্ষ।
;
ঢাবির ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের পর ইউজিসি থেকে আর্থিক বরাদ্দ চাওয়া হবে বলে জানান ড. এএসএম মাকসুদ কামাল।





