Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
খেলাধুলা ফুটবল

তিউনিশিয়াকে হারিয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল অস্ট্রেলিয়া

admin • 26 Nov 2022, 06:09 PM • পঠিত 0 বার
শেয়ার করুন:
তিউনিশিয়াকে হারিয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল অস্ট্রেলিয়া

তিউনিশিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ওশেনিয়ার দলটির হয়ে ম্যাচজয়ী গোলটি করেছেন মিচেল ডিউক। অস্ট্রেলিয়ার এই জয়ে জমে উঠেছে ডি গ্রুপের লড়াই।

২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তাদের অবস্থান এখন টেবিলের দুই নম্বরে। এক ম্যাচ কম খেলা ডেনমার্ক এক পয়েন্ট নিয়ে তাদের পরেই। প্রথম ম্যাচে বড় জয় তোলা ফ্রান্স আছে গ্রুপের শীর্ষে, দুই ম্যাচে এক পয়েন্ট পাওয়া তিউনিশিয়া আছে তলানিতে।

২০১০ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে জয়ের দেখা পেল অস্ট্রেলিয়া। গত দুই বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেও কোনো ম্যাচ না জিতেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাসমান পাড়ের দেশটিকে। অন্য দিকে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে বিপদ বাড়ল তিউনিসিয়ার, যারা শেষ ম্যাচ খেলবে ফ্রান্সের সঙ্গে।

আল জানুব স্টেডিয়ামে ব্যাপক সমর্থন নিয়েই ম্যাচ শুরু করে তিউনিসিয়া। তবে প্রথম দিকে অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে কিছুটা নিচে নেমে খেলতে হয় আফ্রিকার দেশটিকে। এর আগে ফ্রান্সের বিপক্ষেও শুরুতে ভালো খেলে গোল আদায় করে নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এদিনও তিউনিসিয়ার ডি-বক্সের আশপাশে একের পর এক হুমকি তৈরি করে যাচ্ছিল সকারুজরা।

তিউনিসিয়া চেষ্টা করে নিজেদের রক্ষণ সুরক্ষিত রেখে প্রতি-আক্রমণের সুযোগ তৈরির। প্রতিপক্ষের ওপর চাপ তৈরি করলেও শুরুতে অস্ট্রেলিয়া নিশ্চিত কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না। তাদের আক্রমণগুলো বারবার প্রতিহত হচ্ছিল তিউনিসিয়ার রক্ষণে। তবু অবশ্য গোল পেতে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি অস্ট্রেলিয়াকে।

ম্যাচের ২৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। বাঁ প্রান্ত থেকে ক্রেইগ গুডউইনের ক্রস তিউনিসিয়ার এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে চলে আসে ডি-বক্সের দুই ডিফেন্ডারের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা মিচেল ডিউকের কাছে। বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে মাথার ছুঁয়ে বলকে জালের ঠিকানা দেখিয়ে দেন ডিউক।

এগিয়ে গিয়েও অবশ্য কিছু সময় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে অস্ট্রেলিয়া। আক্রমণাত্মক ফুটবলে তিউনিসিয়াকে চাপে রাখার চেষ্টা করে তারা। অন্য দিকে পিছিয়ে পড়া তিউনিসিয়া মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছিল ম্যাচে ফেরার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে গিয়ে নিজেদের ছন্দও খুঁজে পায় কার্থেজ ঈগল খ্যাত দলটি।

৩৮ মিনিটে ইউসেফ এমসাকনিকে ডি-বক্সের ভেতর আটকে দেন অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার। ৪৪ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ান আক্রমণ ঠেকান তিউনিসিয়ার গোলরক্ষক আইমেন দাহমেন। তবে যোগ করা সময়ে গোল করার সুবর্ণ এক সুযোগ নষ্ট করেন এমসাকনি। সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে গোল করতে ব্যর্থ হন এমসাকনি। শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে থাকার আক্ষেপ নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় তিউনিসিয়াকে।

বিরতির পর গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে আক্রমণে যায় তিউনিসিয়া। অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রেখে তারা চেষ্টা করে গোলের সুযোগ তৈরির। তিউনিসিয়ার আক্রমণাত্মক ফুটলের বিপরীতে এ সময় অস্ট্রেলিয়ার চোখ ছিল প্রতি আক্রমণে। তবে দুই দলই এ সময় নিশ্চিত সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছিল।

আক্রমণে এ সময় তিউনিসিয়া এগিয়ে থাকলেও প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে তাদের দুর্বলতা ছিল স্পষ্ট। গোলের কোনো সুযোগ বের করতে পারছিলেন না। ম্যাচের শেষ দিকে গিয়ে অস্ট্রেলিয়া রক্ষণে বেশ চাপ সৃষ্টি করে তিউনিসিয়া। তবে মেলেনি কাঙ্ক্ষিত গোলটি।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।