সপ্তম শ্রেণিপড়ুয়া এক ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ফেনীর পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফরিদুল হকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনায় তাকে সরানোর ষড়যন্ত্র হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
এ ঘটনায় রোববার (৩০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের পক্ষে পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. হারুন-অর-রশীদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে অভিযুক্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফরিদুল হককে বদলি করা হয়েছে।
বদলির আদেশে এ চিকিৎসককে খুলনার বাগেরহাট মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের জুনিয়র লেকচারার হিসেবে যোগদান করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে কুমিল্লার চান্দিনা মহিচাইল ২০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মোহাম্মদ মাসুদুল হাসানকে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করতে আদেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফরিদুল হক বলেন, এ ধরনের অভিযোগ মিথ্যা। একটি গোষ্ঠী আমাকে সরানোর জন্য এই ষড়যন্ত্র করেছে। এখন তারা সফলও হয়েছে।
ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. শিহাব উদ্দিন বলেন, বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনেছি। এ ঘটনায় কেউ লিখিত বা মৌখিকভাবে অভিযোগও দেয়নি। আজকে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ওই চিকিৎসকের বদলির আদেশের কথা জেনেছি।
এর আগে, বুধবার (২৬ জুন) সন্ধ্যার দিকে সপ্তম শ্রেণিপড়ুয়া ওই ছাত্র প্রাইভেট পড়ে বাসার দিকে যাওয়ার পথে পূর্ব পরিচিত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফরিদুল হকের হাসপাতাল রোড এলাকায় ব্যক্তিগত চেম্বারে যান। সেখানে ডা. ফরিদুল হক তার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলে পরে হাসপাতালের অফিস কক্ষের ভেতরে নিয়ে যান। আনুমানিক ২০ মিনিট পরে কক্ষ থেকে ওই শিক্ষার্থী চিৎকার দিয়ে বের হয়ে যান। তাৎক্ষণিক ঘটনাটি আশপাশে জানাজানি হলে হাসপাতালের মূল ফটকের সামনের একটি ফার্মাসিতে বৈঠক করে রফাদফা করা হয়।





