কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে স্মৃতি খাতুন (৮) নামে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে কয়া ইউনিয়নের উত্তর কয়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ছাত্রী ওই গ্রামের কৃষক আবু সিদ্দিকের মেয়ে ও খলিশাদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী।
স্বজনদের ভাষ্য, সন্ধায় পড়তে বসার কথা বলায় মায়ের ওপর অভিমান করে স্মৃতি নিজঘরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ।
দুপুরে সরেজমিন নিহতের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, এলাকায় শোকের মাতম চলছে। তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে স্বজন ও প্রতিবেশীরা ভিড় করেছেন।
এসময় বাবা আবু সিদ্দিক বলেন, আমি দোকানের ওপর ছিলাম। খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে গিয়ে দেখি মেয়ে বাঁশের আড়াঁর সাথে ঝুলছে। কিন্তু কি কারণে এমন করেছে তা আমি জানিনা।
চাচাতো ভাই রায়হান আলী জানান, স্মৃতিকে তাঁর মা ভাল করে পড়াশোনার কথা বলেছিল। সেসময় হয়তো একটু রাগবাগ করা হয়েছিল। সেই অভিমানে স্মৃতি আত্মহত্যা করেছে। তাঁর ভাষ্য, এটি একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা। কারো কোনো অভিযোগ নেই।
কুমারখালী থানার উপ পরিদর্শক ( এসআই) ও সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী মো. আজাদ জানান, ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে প্রকৃত ঘটনা পরে জানানো যাবে।





