লক্ষ্মীপুরে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিয়ে মানুষের কাছে স্বল্পমূল্যে পণ্য বিক্রি করে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় আমির হোসেন নামে জামায়াতের এক সমর্থকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে দিঘলী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভি দাস এ জরিমানা করেন। এসময় আমির হোসেনের মালামালও জব্ধ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
তবে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বল্পমূল্যে পণ্য পেতে আগেই এনআইডির ফটোকপি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। সরাসরি কোনো আইডি কার্ড নেন না আমির হোসেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভি দাস বলেন, এনআইডি কার্ডের ফটোকপি সংগ্রহ করে কোনো দলের পক্ষে স্বল্পমূল্যে পণ্য বিক্রির সুযোগ নেই। কিন্তু আমির হোসেন এনআইডি নিয়ে স্বল্পমূল্যে বিভিন্ন খাদ্য পণ্য বিক্রি করছিলেন। এতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের লোকজন জড়ো হয় ঘটনাস্থলে। এতে অপ্রীতিকর ঘটনারও আশঙ্কা সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থল পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়। পরে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। ভোটার প্রভাবিত করার যেকোনো চেষ্টা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে আমির হোসেন বলেন, স্মার্ট অ্যাগ্রো ডেইলি শপের চন্দ্রগঞ্জের পরিবেশক আমি। চন্দ্রগঞ্জের নয়টি ইউনিয়নের ৮১টি ওয়ার্ডের এ শপের পণ্য বিক্রির দায়িত্ব আমার। ২ জানুয়ারি থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়। আমি কয়েকটি ওয়ার্ডে কাজ শুরু করেছি। দিঘলী পণ্য বিক্রি করতে এলে বিএনপির লোকজন বাধা দেয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত এসে আমায় জরিমানা ও মালামাল জব্দ করেছেন। নির্বাচনের পর মালামাল দিয়ে দেব। জামায়াতে আমার কোনো পদ-পদবি নেই। তবে আমি জামায়াতের সমর্থক।





