নওগাঁর আত্রাইয়ে গত কয়েক দিনের একটানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে আত্রাই ও গুড় নদীর পানি। এর ফলে আত্রাইয়ে একাধিক স্থানে বাঁধ ধসে গেছে। এসব বাঁধ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
ধসে যাওয়া স্থানগুলো পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত মেরামতের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের এমপি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক সুমন।
উপজেলার নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছরের বন্যায় ভেঙে যাওয়া স্থানগুলো মেরামত করা হয়। নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলে ভাঙা এসব স্থান পুনরায় ভেঙে গিয়ে পানি অনায়াসে লোকালয়ে প্রবেশ করবে। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়বে অন্তত কয়েক হাজার পরিবার।
এদিকে, শনিবার দুপুরে আত্রাই, যমুনা ও গুড় নদীর পানি বাড়তে থাকায় নদী তিনটির ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় এমপি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক সুমন।
তিনি বলেন, বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কাজ করার জন্য নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বন্যা মোকাবিলায় পাউবোর পাশাপাশি কাজ করছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দফতর। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও নেতাকর্মীরা তাদের সঙ্গে রয়েছেন।
এ সময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এবাদুর রহমান প্রামানিক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম, ভোঁপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন মন্ডল, সাবেক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সেন্টুসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। নওগাঁর আত্রাইয়ে গত কয়েক দিনের একটানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে আত্রাই ও গুড় নদীর পানি।
এর ফলে আত্রাইয়ে একাধিক স্থানে বাঁধ ধসে গেছে। এসব বাঁধ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ধসে যাওয়া স্থানগুলো পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত মেরামতের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের এমপি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক সুমন।
উপজেলার নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছরের বন্যায় ভেঙে যাওয়া স্থানগুলো মেরামত করা হয়। নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলে ভাঙা এসব স্থান পুনরায় ভেঙে গিয়ে পানি অনায়াসে লোকালয়ে প্রবেশ করবে। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়বে অন্তত কয়েক হাজার পরিবার।
এদিকে, শনিবার দুপুরে আত্রাই, যমুনা ও গুড় নদীর পানি বাড়তে থাকায় নদী তিনটির ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় এমপি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক সুমন।
তিনি বলেন, বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কাজ করার জন্য নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বন্যা মোকাবিলায় পাউবোর পাশাপাশি কাজ করছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দফতর। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও নেতাকর্মীরা তাদের সঙ্গে রয়েছেন।
এ সময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এবাদুর রহমান প্রামানিক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম, ভোঁপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন মন্ডল, সাবেক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সেন্টুসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।





