Wednesday, 4 November 2026
শিরোনাম
নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী কলেজের শ্রেনীকক্ষে তালা,মাঠজুড়ে পশুর হাট ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি অধ্যাপকের প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ,সত্যতা কতটা? স্কুলশিক্ষার্থীদের কাছে ই-সিগারেট বিক্রির অভিযোগ, কুয়েতে ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বিরোধ, সুনামগঞ্জে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১৫ ১৭৪ ফ্লাইট বাতিল, শনিবার থেকে চলবে দাম্মাম ফ্লাইট চুরি ঠেকাতে ২০০ কেজির ওয়েস্ট বিন, দক্ষিণ সিটিতে বসানো হলো ৬০০টি নারী গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ: ডাচ-বাংলার কর্মকর্তাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম মার্কিন সিনেটর আব্দুল আল-সায়িদ পদ্মা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্টের রুল
এক্সক্লসিভ

আইন পেশায় ফিরলেন সাবেক সেই দুই বিচারপতি

• • পঠিত 17 বার
শেয়ার করুন:
আইন পেশায় ফিরলেন সাবেক সেই দুই বিচারপতি

একসময় হাইকোর্টের বেঞ্চে বসে বিচারকার্য পরিচালনা করেছেন। এখন আবার সেই আদালত প্রাঙ্গণেই আইনজীবী হিসেবে মক্কেলের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরছেন। দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও অপেক্ষার পর সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় ফিরে এসেছেন সাবেক অতিরিক্ত বিচারপতি ব্যারিস্টার এস এম মাসুদ হোসেন দোলন এবং অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম।

দুই বছর মেয়াদে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর তারা স্থায়ী নিয়োগ পাননি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিচার বিভাগে পুনর্মূল্যায়নের প্রক্রিয়ায় তাদের বিচারক হিসেবে দায়িত্বও শেষ হয়। এরপর কয়েক মাসের বিরতি শেষে তারা আবারও ফিরে গেছেন নিজেদের পুরোনো পেশায়।

ব্যারিস্টার এস এম মাসুদ হোসেন দোলন জানান, বিচারক হওয়ার আগেও তিনি দীর্ঘদিন সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন। প্রায় আড়াই বছর বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকেই তিনি পুনরায় আদালতে নিয়মিত প্র্যাকটিস শুরু করেন। তাঁর মতে, আইন পেশা থেকে কখনোই পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন ছিলেন না, বরং বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন ছিল পেশাগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

 

তিনি বলেন, অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও স্থায়ী নিয়োগ না পাওয়া ব্যক্তিদের আইন অনুযায়ী দেশের যেকোনো আদালতে আইন পেশায় ফিরে আসার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে তিনি রিট, দেওয়ানি, ফৌজদারি, কোম্পানি, আয়কর ও নৌ-বাণিজ্য আইনসংক্রান্ত বিভিন্ন মামলা পরিচালনা করছেন।

অন্যদিকে সাবেক অতিরিক্ত বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামও আইন পেশায় ফিরে আসাকে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন। তাঁর ভাষায়, বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষ হলেও আদালত ও আইন অঙ্গনের সঙ্গে সম্পর্ক কখনো বিচ্ছিন্ন হয়নি। ফলে পুরোনো কর্মপরিবেশে ফিরে এসে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।

তিনি জানান, বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। এমনকি দায়িত্বের শেষ দিন পর্যন্ত কোনো রায় বা আদেশ ঝুলিয়ে না রেখে সব মামলা নিষ্পত্তি করে এজলাস ত্যাগ করেছিলেন।

বর্তমানে তিনি ফৌজদারি, দেওয়ানি ও সাংবিধানিক- তিন ধরনের মামলাই পরিচালনা করছেন। বিচারক হিসেবে অর্জিত অভিজ্ঞতা এখন আইনজীবী হিসেবে কাজের ক্ষেত্রেও সহায়ক হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের জুলাইয়ে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এই দুই আইনজীবীসহ ১১ জন। পরবর্তীতে দুই বছরের মেয়াদ শেষে তাদের মধ্যে নয়জন স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেলেও মো. আমিনুল ইসলাম ও এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়।

পরবর্তীতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর বিচার বিভাগে কিছু বিচারপতির ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। সেই প্রেক্ষাপটে তাদের বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয় এবং শেষ পর্যন্ত স্থায়ী নিয়োগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।