Friday, 6 November 2026
শিরোনাম
শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান এমপি বাবুলের কুমারখালীতে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে নবীন বরণ, কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো লুঙ্গিতে মোড়ানো সেই নবজাতকের ঠাঁই হলো রাজশাহীর ‘ছোটমণি নিবাসে’ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী কলেজের শ্রেনীকক্ষে তালা,মাঠজুড়ে পশুর হাট ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি অধ্যাপকের প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ,সত্যতা কতটা? স্কুলশিক্ষার্থীদের কাছে ই-সিগারেট বিক্রির অভিযোগ, কুয়েতে ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার
এক্সক্লসিভ

আইডিয়ালের সেই মেয়েকে ফিরে পেতে হাইকোর্টে বাবার রিট

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
আইডিয়ালের সেই মেয়েকে ফিরে পেতে হাইকোর্টে বাবার রিট

রাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির দাতা সদস্য খন্দকার মুশতাক আহমেদকে বিয়ে করা আইডিয়ালের শিক্ষার্থী সিনথিয়াকে তার বাবার জিম্মায় দিতে হাইকোর্টের রিট দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (২০ আগস্ট) হাইকোর্টের সংশ্লিস্ট শাখায় এ রিটটি দায়ের করেন মেয়েটির বাবা। বিচারপতি কামরুল কাদেরে নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ১৬ আগস্ট বিচারপতি আবু তাহের মো: সাইফুর রহমান এবং বিচারপতি খন্দকার দীলিরুজ্জামান এর হাইকোর্ট বেঞ্চ খন্দকার মুশতাক আহমেদের আগাম জামিন আবেদন শুনতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।

শুনানিতে হাইকোর্ট মুশতাককে ডেকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি কি বিবাহিত? উত্তরে মুশতাক বলেন, হ্যাঁ, তবে সেই সংসার অনেক আগেই ভেঙে গেছে। আমাদের ডিভোর্স হয়ে গেছে। এ সময় হাইকোর্ট বলেন, ছাত্রীকে বিয়ে করে নৈতিকতা ভেঙেছেন আপনি।

গত ১ আগস্ট ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক বেগম মাফরোজা পারভীনের আদালতে খন্দকার মুশতাক আহমেদকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় আইডিয়ালের অধ্যক্ষ ফাওজিয়া রাশেদীকেও আসামি করা হয়। ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীর বাবা মো. সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণের আদেশ দিয়েছেন।

মামলার আরজিতে বাদী উল্লেখ করেন, তার মেয়ে (ভুক্তভোগী) মতিঝিল আইডিয়ালের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। আসামি মুশতাক বিভিন্ন অজুহাতে কলেজে আসতেন এবং ওই ছাত্রীকে ক্লাস থেকে অধ্যক্ষের কক্ষে ডেকে আনতেন। খোঁজ-খবর নেওয়ার নামে আসামি তাকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে প্রলুব্ধ করতেন।

কিছুদিন পর আসামি মুশতাক ওই ছাত্রীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কুপ্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় ভুক্তভোগীকে তুলে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক বিয়ে করেন। পরে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে ঢাকা ছাড়া করবে বলে হুমকি দেন। মুশতাকের এ ধরনের আচরণের বিষয়ে আইডিয়াল অধ্যক্ষকে (২ নম্বর আসামি) ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন ভুক্তভোগী। তবে তিনি (অধ্যক্ষ) ব্যবস্থা করছি বলে আসামি মুশতাককে তার রুমে নিয়ে আসেন। সেসময় ভুক্তভোগীকেও ক্লাস থেকে নিয়ে এসে রুমের দরজা বন্ধ করে দিয়ে মুশতাককে সময় ও সঙ্গ দিতে বলেন।

এ বিষয়ে বাদী কলেজের অধ্যক্ষের কাছে প্রতিকার চাইতে গেলেও কোনো সহযোগিতা করেননি। বরং আসামি মুশতাককে অনৈতিক কাজে সাহায্য করে আসতে থাকেন। বাদী উপায় না পেয়ে গত ১২ জুন তার মেয়েকে ঠাকুরগাঁওয়ের বাড়িতে নিয়ে যান। পরে আসামি মুশতাক তার লোকজন দিয়ে তার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যান। এরপর বাদী জানতে পারেন মুশতাক ভুক্তভোগীকে একেক দিন একেক স্থানে রেখে অনৈতিক কাজে বাধ্য করেছেন এবং যৌন নিপীড়ন করেছেন।

পরে সোমবার (১৪ আগস্ট) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ মামলায় আগাম জামিন চান মতিঝিল আইডিয়ালের অধ্যক্ষ ফৌজিয়া রশিদ। ঐদিনই শুনানি শেষে তাকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন দেন আদালত।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।